বৈশিষ্ট্যযুক্ত পোস্ট

Latest news, শীঘ্রই আসছে

ছবি
Latest news , শীঘ্রই আসছে, বঙ্গ লিখন , খবর আমরা খবর নিয়ে আসবো আপনাদের সামনে , যা হবে  ১০০ শতাংশ সত্যি,  Notification টা allow করে, চলতি  ভাষায় লেখা খবর পেয়ে যান আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারে সোজাসুজি। আমাদের খবর পাঠাতে বা আমাদের সাথে যুক্ত হতে  যোগাযোগ করুন আমাদের ফেসবুক পেজ এ,বা ইমেইল করুন sanyalsaptarshi57@gmail.com , এ।

বাংলা গল্প অধরা bengali story about a surrogacy incident titled adhara by Manju sanyal

pregnancy, bangla golpo online adhara, bengali stories to read adhara
 

বাংলা গল্প অধরা, bengali story about a surrogacy incident titled adhara , bongo likhon


মা,বাজারের থলে আর টাকা দাও, কী , কী, আনতে হবে বলে দাও, লিখে নি ,তোমার মেধাসম্পন্ন  ছেলের এসব ভারী কথা মনে থাকে না।  ফাজলামো হচ্ছে ? কপট ক্রোধে দীপা ভর্ৎসনা করে ছেলেকে । মনে মনে ভাবে ছেলে বড়ো হয়ে যাচ্ছে ,এইতো সেদিন বলতো তোলে নাও , "ক" শব্দ টা উচ্চারণ করতে পারতো না ,কদিন ই বা আগে , মনে হয় দিনটা গতকাল বা গত পরশু ছিলো । টাকা ,থলে আর কী , কী আনতে হবে ভালো করে বুঝিয়ে দেয় দীপা। রাজ্যের কাজ পরে আছে, এখনও কাজের দিদি আসেনি, রাস্তার দিকে তাকিয়ে থাকে দীপা।

মাছের বাজারে ঢুকেই সুধন্য বাজারের চড়া দাম ,আর শেয়ার বাজারের আলোচনা শোনে, মনে মনে বলে আমি বুঝতেই পারিনা কোনটা দামী, জিনিসপত্রের চড়া দাম না শেয়ারবাজারের ওঠানামা ,মরুক গে ওই সব দিয়ে কি হবে ?ধীরে, ধীরে ঘুরে, ঘুরে আনাজ পাতি কেনে ,মাছও মা যা টাকা দিয়েছিলো সবই তো শেষ , নিজের কাছে যা টাকা ছিল সেটাও শেষ । বন্ধুরা বাজার করতে এলে ওর থেকেই পয়সা বাঁচিয়ে নিজের পকেটে ঢোকায় , ওর উল্টো নিজের টুকুও শেষ হয় । নাহ্ আমি একদমই কাজের নই ভাবে সুধন্য।
স্নান খাওয়া করে খবরের কাগজ পড়ে সুধন্য । বাড়িতে কাগজ পড়ার সময় ভাগ করা আছে ,সকালবেলা কাগজ বাবার দখলে ,দুপুরে মা, ও পড়ে কলেজ ক্যান্টিনে। খবরের কাগজ হতে নেয় সুধন্য,চোখ বোলায়, খবর মানেই জঙ্গি হানা , চীন বা পাকিস্থান সেনার মহড়া, আক্রমণ পাল্টা আক্রমণ । একটা খবরে চোখ আটকে যায় সুধন্যর মহিলা পর্বতারোহীরা আবার অভিযানে বের হচ্ছে, যারা রন্টিশৃঙ্গ জয় করেছিল ,এখন তাদের বয়স ? ৬৯ কেউবা ৭১ । বাহ্ এটাই তো খবর ,এটা দেখেই দেবকীর কথা মনে পড়ে যায় ,ফোন টা না করে পারে না ।
হ্যালো, হ্যালো ,নারে আর হেলতে পারবো না বলে দেবকী, শোন দেবকী , মহিলাদলের অভিযানের খবর টা পড়েছিস?তুই ও দলে  ভীড় এ যা ,তুই তো গেছো মেয়ে যাবি পাহাড়ে ? আচ্ছা তোকে মানস ভ্রমণ করিয়ে দি। শোন ঘন সবুজ পাহাড়ি গাছ ,মাঝে মাঝে রডোডেনড্রন ফুল লাল হয়ে ভরে আছে, পাহাড়ের চূড়ার রূপালী রেখা নাম-না-জানা রেইন ট্রি, ঝরনা বয়ে চলেছে পাহাড়ের মাঝখান দিয়ে। শোন সুধন্য তুই কি মুঙ্গেরিলাল হয়ে গেলি ?জেগে জেগে স্বপ্ন দেখিস । ছাড় তোর মানস ভ্রমণ তুই কর, তোকে কোত্থাও যেতে হবে না এমনকি ছোট্ট ফরেস্ট বেথুয়াডহরি তেও না । ধুম করে ফোনটা ছেড়ে দিল দেবকী।
দেবকী খামোকা রেগে গেল কেন ভাবে সুধন্য , যাক গে---।
নিচের থেকে বাবার ডাক আসে, সুধন্য, এই সুধন্য বেলা হয়ে গেছে স্নান করতে যা।
মনটা একটু খিঁচরেই আছে সুধন্যর, কেন যে মজা করতে গেল অনেক রাত হয়েছে ঘুম আসছে না, পৃথিবী ঘুমে মগ্ন। ঘুম নেই তারাদের চোখেও ,শত আলোকবর্ষ পেরিয়ে মায়ার পৃথিবীতে আলো ফেলে তারারা। আচ্ছা দেবকীর কথা মনে পড়ছে কেন  এত রাতে? খুব রেগে গিয়েছিল বলে? মেয়েরা যে কখন রাগে কখন হাসে কে জানে। আচ্ছা এটাই কি বন্ধুত্ব? প্রেম ছাড়া কি বন্ধুত্ব হয় ? ভাবতেই হেসে ফেলে সুধন্য আচ্ছা আমি এত রাতে প্রেম নিয়ে ভাবছি কেন? ভাবতে ভাবতে তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়, তন্দ্রা কেটে যায় মুঠোফোন বাজছে ,দেবকীর ফোন। ভয় মাখানো কান্না ভেজা গলায় বলে দেবকী , সুধন্য ,বাবা কেমন করছে, আমি দিশা না পেয়ে এত রাতে তোকে ফোন করছি। সুধন্য বলে ভয় পাস না আমি অ্যাম্বুলেন্সে খবর দিচ্ছি তুই রেডি হয়ে থাক কাছের নার্সিংহোমে নিয়ে যাব আমি আসছি।
দিন যায় সুধন্য আরো বড় হয়, ঘন অরণ্যের সকাল শাল পিয়ালের বন, পাতার ফাঁকে নরম রোদের আলো, নাম-না-জানা হরেক রকম পাখির ডাক, সবমিলিয়ে কলকাকলি ,বেশ মন খারাপ, মন খারাপ আবার ভালোলাগা ভালোলাগা ভাব, বাড়ি থেকে অনেকটা দূরে ওর পোস্টিং বাংলোটা ডুয়ার্সের জঙ্গল ঘেষা। মাঝে মাঝে বড় একা লাগে ,মন খারাপ করে মা বাবাও খুব চিন্তায় থাকে। ডোরবেলটা বাজতেই বুঝতে পারে সুধন্য ,কাজের মাসি এসে গেছে। উঠে দরজাটা খুলে দেয় মোবাইলটা অন করে গান শুনতে থাকে।
সুধন্য মনে মনে হাসে ,বাবা জিও ,ও ভোদা ,মা টাটা ,সব কোম্পানিকে ওরা সুখে রেখেছে। এক সময় মা বাবা ওকে প্রতিষ্ঠিত করার স্বপ্ন দেখত এখন ওকে সংসারি করার স্বপ্ন দেখে। মানুষের চাহিদার শেষ হয় না , তারপর ?বংশধর। ছুটির দিনটা একা একা ছাইপাশ ভেবে কেটে যায় অন্য দিন তো সময়ই পায়না। দূর থেকে ভেসে আসে মাইকের গান ,ডিজে সাউন্ড ধাক্কা মারে বুকে, বাতাস বাহিত দানব ধাক্কা দেয় মনে, মাঝে মাঝে দেবকীর কথা মনে হয়, মনটা কেমন করে ওঠে ,মনে হয় কি যেন হারিয়ে গেছে, কি যেন ছিল ,কি যেন নেই।

সানাই বাজছে, মিঠে রাগে মনটা কেমন করে ওঠে ,আগত জীবনের মূর্ছনা, তিল তিল করে গড়া স্বপ্নের বাস্তব রূপ আসছে, স্বপ্ন মা বাবার ?স্বপ্ন কি ওর নিজের নয়? আলতো একটু ছুঁয়ে যায় দেবকীর স্বর ,দেবকী কি এখনো উঁকি দেয় মনে? সুধন্যর জীবনে যুব অভিষেক আজ যুবরানি আসছে যে। সানাই বাজে ,কী রাগ এটা ?সুধন্য ভাবার অবসর পায় না আত্মীয়-স্বজনের ঘরভর্তি বৌদি এসে দাঁড়ায় সামনে,তাড়া লাগায়, চলো চলো সুধন্য তোমাকে স্নান করতে হবে এখন।

সকাল থেকেই আকাশটা মুখটা কালো করে আছে মেঘের পুরু আস্তরণ আকাশ জুড়ে। ঢেউ যেমন উঠানামা করে মেঘ ও তেমনি আপন খুশিতে চলবে বলে হাওয়ার পাখা লাগিয়েছে। হাওয়া গুমরে মরছে,তার আওয়াজ কানের পর্দা ফাটিয়ে দেবে। শো শো  শব্দ হাওয়ার দাপটে উড়ছে কতকিছু, তছনছ করবে পৃথিবীটা । সবাই দিশেহারা প্রাণ বাঁচাতে ,ঘরে থাকবে না বাইরে বের হবে? এক মিনিট তাণ্ডবের পর মুষলধারে বৃষ্টি।
ঝড় ,ঝড়  দেখছে দেবকী।
তার নিজের জীবনের ঝড় যে 
এ ঝড়ের কাছে তুচ্ছ। নিজের জীবনকে নিয়ে বড়ো কুণ্ঠা ,বড়ো লজ্জা দেবকীর। সুধন্য এখন কোথায় আছে ,কেমন আছে, কে জানে ,বড়ই মনে পড়ে ওর কথা। দেবকীর নিজের মনের কোণে লুকিয়ে রাখা স্বপ্ন বাস্তবের আঘাতে তছনছ হয়ে গেছে। তাই কি এত ওর কথা মনে হয়?
কলিংবেলটা বেজে চলেছে দেবকীর মনে কোন সাড় নেই ,একটু আগে ঝড় থেমে গেছে, ঝড় বয়ে চলেছে দেবকীর মনে। মাতৃহারা দেবকী বড়ো আদরে পিতার কাছে লালিত হয়েছিল ,ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় আজ সে পিতৃহারা। বাবা যে ব্যবসা করতে গিয়ে এত দেনায় পড়েছিল কোনদিন জানতেও পারেনি। সত্যটা সামনে আসে বাবার আকস্মিক মৃত্যুর পর। দেনার দায়ে বসতবাটি বিক্রয় হয় আশ্রয় পায় মামার কাছে। মামা তড়িঘড়ি বিয়ে দেন স্বল্প উপার্জনশীল শশাঙ্কর সাথে।
মানুষটা খারাপ নয় কিন্তু দৈন সর্বাঙ্গে ,এত দৈন্য দেবকী দেখেনি। চমক ভাঙ্গে দেবকীর, বাস্তবে ফিরে আসে, শশাঙ্ক ফিরে এসেছে, ব্যস্ত হয় দেবকী স্বামীর চা-জলখাবারে। দেবকীর বড় কষ্ট হয় মনে ,শশাঙ্ক কে কিছু সাহায্য করতে পারে না বলে। গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করতে পারিনি টিউশনি ও জোটে না, তাছাড়া শিক্ষকের কাছে পড়াতে পারলে অভিভাবকরাও নিশ্চিন্ত হয়। মাঝে মাঝে ভাবে 100 দিনের প্রকল্পে মাটি কাটার কাজ করলেও হতো কিন্তু মধ্যবিত্তের বড় জ্বালা, না -এই  কাজ করতে পারে ,না -অন্য কাজ জোটাতে পারে শুধু গুমরে গুমরে মনের কষ্টটা সারা শরীরে ছড়িয়ে দেয়।
শশাঙ্ক আজকে অনেকটা আগে বাড়ি ফিরেছি ।চিন্তাক্লিষ্ট মুখ। অসহায় মুখে বলে শশাঙ্ক ,দেবকী কারখানা টা বোধ হয় বন্ধ হয়ে যাবে। জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকায় দেবকী, কারখানা টা কি বন্ধ হয়ে গেছে?
শশাঙ্ক একমনে ভেবে চলেছে, নিজেকে খুব অপরাধী মনে হয় ,কেন একটা মেয়ের জীবন নষ্ট করলো? দেবকী কে খুব ভাল লেগেছিল। তাই বিয়েতে মত দেয় ও খুব আগ্রহী হয় নিজের জীবনে বরণ করতে। কিন্তু এখন? কেন যে ফুলের মত মেয়েটাকে নিজের জীবনের সাথে জোড়ালো, অনুশোচনায় দগ্ধ হয় মনটা। কাজটা চলে যাবে, কারখানা বন্ধ হবে কোনদিন ভাবেনি ,সামনে জীবনটা কি অন্ধকারময় থেকে যাবে ? কোনো আলোর রেখা পাবে কি?দেবকী কে ডাক্তারবাবুর কথা টা বলবে ? কিভাবে নেবে দেবকী ? ঘৃণা করবে কি ওকে? কি ভাবছো? বলে দেবকী, চিন্তা করো না একটা রাস্তা ঠিক বের হবে। কারখানা সত্যি বন্ধ হয়ে যায় কাগজে ছোট্ট দু'কলমের আঁচড় পড়ে ,চার হাজার কর্মী কাজ হারালো। কারখানার গেটে তালা এবং নোটিশ দুটোই থাকে ,সত্যি টা মেনে নিতে খুব কষ্ট হয়,কিন্তু মানতেই হবে বাস্তবকে।
শশাঙ্ক খুব লজ্জা এবং দ্বিধা নিয়ে দেবকীর কাছে ডাক্তারবাবুর প্রস্তাবটা রাখে, হয়তো সে বাঁচার তাগিদেই দেবকী কে বলে ,গর্ভভাড়া দিলে কোন অন্যায় হয় না, বরং সমাজের উপকার হয়। তাদের তো সন্তান মানুষ করার ক্ষমতা নেই ,গর্ভভাড়া দিলে দেবকী " মা " হবে ,সমাজের উপকার হবে, রক্ত মাংস দিয়ে একটা ভ্রুণ পরিপূর্ণতা পাবে হয়তো সে দেশের একজন হয়ে উঠবে, স্যারোগেট মাদার হলেও তুমি তো তার" মা " হবে আমরাও একটু সুখের মুখ দেখতে পাব।
দেবকী অবুঝ হয় ,তার মনে হয় এটা তো একটা শরীর ভাড়া দেওয়া, অন্যের শুক্রাণু ,ডিম্বাণু তার শরীরের প্রতিস্থাপিত হবে, এটাতো এক ধরনের ব্যভিচার।
কলেজে পড়ত, বাবার আদুরে মেয়ে ছিল, কত স্বপ্ন দেখত, কে জানতো তার জীবনের এই পরিণতি হবে, গর্ভ ভাড়া দিয়ে টাকা রোজগার করতে হবে ,বড়ো মন খারাপ করে দেবকীর, সুধন্য কথা মনে হয়, জীবনে পূর্ণতা পায়নি বলে কি সুধন্য কথা এত মনে হয়?
দিন যায় রাত আসে ,আবার রাত আবার দিন, কিন্তু রাত ও দিন টা সমান অন্ধকার হয়ে ওঠে শশাঙ্কর জীবনে,কিন্তু দেবকীকে সে আর কিছু বলতে পারেনা । অনুশোচনা এবং গ্লানিতে দগ্ধ হতে থাকে , কেন ফুলের মত মেয়েটার জীবন নষ্ট করলো?
রাত জাগে ঘুম আসেনা, ঘুম আসে না দেবকীর চোখেও, দেবকী ভাবে আপাতত বাঁচতে হবে, এবং মনে হয় সত্যি তো সে তো " মা "হবে, অসহায় শশাঙ্কর কাঁধে মাথা রাখে দেবকী।

ডাক্তারবাবু সহযোগিতায় দেবকী এখন নার্সিংহোমে বন্দি, গর্ভে ভ্রূণ প্রতিস্থাপিত হয় ব্যবস্থা হয় মোটা টাকার ।
সিস্টারদের যত্ন ও ডাক্তারবাবু তত্ত্বাবধানে গর্ভস্থ ভ্রূণ ক্রমশ শিশু তে রূপান্তরিত হতে থাকে ,বড় হতে থাকে, তোলপাড় করে ,ওর চলাচল টা বেশ বোঝা যায়। ডাক্তারবাবু খুব দরদ দিয়ে দেখেন, আসে ওনার স্ত্রী ও ,মায়া ভরে স্পর্শ করেন দেবকী কে , সুপ্ত শিশু কে । অনেক ফল ,অনেক প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খায় দেবকী। চোখে জল আসে ,ছোটবেলা বাবা কত আদর করে খাওয়াতো এই মাতৃহীন মেয়ে কে । সেই মেয়ে আজ মা হতে চলেছে বিজ্ঞানের প্রযুক্তিতে। বাবা শুনলে হয়তো দ্বিতীয় বার দেহত্যাগ করতেন, কারণ বাবা এই বিজ্ঞান কে মান্যতা দেননি। ও যে মা হয়েও মা নয়, সন্তান হয়েও ওর সন্তান নয় ।
ডাক্তারবাবুকে দেখলে আজকাল ওর বড় কষ্ট হয়, সঙ্কুচিত হয়ে যায়, ওর সন্তান কে যে ডাক্তারবাবু ছিনিয়ে নেবেন। শিশুর বিকাশ হতে থাকে , পরম যন্ত্রণা দিয়ে ভূমিষ্ঠ হয় মাটির পৃথিবীতে। শিশু মাতৃদুগ্ধ পান করে। দেবকী ভুলে যায় যে ও আর মা নয় ,মনে মনে চিৎকার করে দেবকী ,নিও না তোমরা ছিনিয়ে নিও না ওকে ,ও যে আমার রক্ত দিয়ে তৈরি ,আমারই নাড়িতে জড়িয়ে ছিল আমার নাড়িছেঁড়া ধন , তোমরা ওকে ছুঁয়ো না ডাক্তার বাবু । মনে ত্রাস জাগে, সে তো "মা"শব্দটা শুনতে পাবে না, ওর ওপর কোন অধিকার ও নেই । কিন্তু ও যে একান্তই আমার, আমার শিশু , মনে মনে বলে দেবকী । তবে অর্থ দিয়ে কেনা গর্ভ কে শুনবে তার কথা?

দিনের শেষে আসে সেই ক্ষণ , উত্তরাধিকার কে নিতে আসে তার মা ও বাবা ।তাকায় দেবকী , ও কে?  কে ও? সুধন্য !!

                                                         মঞ্জু সান্যাল

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

বাংলা রহস্য গল্প 'ক্রিমিনাল', bengali thriller story Criminal by Tina Bhatyacharya, bongo likhon

বাংলা প্রতিবেদন - ক্ষুদিরাম bengali article on sahid khudiram bose

বাংলা-কবিতা - প্রণমি তোমারে,Bangla kobita pronomi tomare