পোস্টগুলি

জুলাই, ২০২০ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বৈশিষ্ট্যযুক্ত পোস্ট

Latest news, শীঘ্রই আসছে

ছবি
Latest news , শীঘ্রই আসছে, বঙ্গ লিখন , খবর আমরা খবর নিয়ে আসবো আপনাদের সামনে , যা হবে  ১০০ শতাংশ সত্যি,  Notification টা allow করে, চলতি  ভাষায় লেখা খবর পেয়ে যান আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারে সোজাসুজি। আমাদের খবর পাঠাতে বা আমাদের সাথে যুক্ত হতে  যোগাযোগ করুন আমাদের ফেসবুক পেজ এ,বা ইমেইল করুন sanyalsaptarshi57@gmail.com , এ।

বাংলা গল্প - শুঁটকিভুনা Bengali story shutkibhuna Bangla golpo sutkibhuna by preety chakraborty

ছবি
বাংলা গল্প - শুঁটকিভুনা Bengali story shutkibhuna Bangla golpo sutkibhuna (না না রেসিপি না, এটাই গল্পের নাম 😄, যারা পছন্দ করেন না একটু কষ্ট করে পড়ে নেবেন ।)🙏 মা বলছিলাম যে আজকে একটু কাতলা কালিয়া করি কষা কষা করে । - না না কালকেই তো তেলে ঝোলে হল , আজকে পাতলা করে আলু বড়ি দিয়ে করবো। - তোমায় করতে হবে না ,তুমি গুছিয়ে দাও আমি করবো পুজো সেরে । এবাড়িতে কারোর তেল মশলা খাওয়ার অভ্যেস নেই তো , তাছাড়া বিয়েতে প্রচুর খাওয়া দাওয়া হয়েছে এখন হালকাই ভালো ।  শুনেই মুখটা চুপসে গেলো জয়ীতার , আর ও হালকা ! কালকের রান্নাটা নাকি তেলে ঝোলে ছিল , শুধুই তো ঝোল ছিল তেল কোথায় ছিল !মনের কথা মনেই রাখলো জয়ীতা । এতো ভারী জ্বালা হলো ,বিয়ে করে খাওয়া লাটে উঠে গেল পুরো । খাওয়া ছাড়া জীবনে আছে নাকি কিছু ? সত্যিই ভাগ্য করে শ্বশুরবাড়ি পেয়েছে জয়ীতা , সব তো ঠিকই ছিল কিন্তু সমস্যা তো অন্যখানে। সৌরভ রা কলকাতার বাসিন্দা কয়েক পুরুষ ধরে , আর জয়ীতা হলো চট্টগ্রামের বাঙাল ।  বাবা কাকা ছোটো থাকতে এদেশে এলেও খাওয়া দাওয়া তো পুরোপুরি ওদেশের । শুঁটকি ভুনা , লোটে মাছের ঝুড়ি , কচু বাটা ,এইসব ছাড়া বাঁচতে হবে স্বপ্নে...

বাংলা রহস্য গল্প - লাইট হাউস bengali thriller story light house Bangla rohosyo golpo lighthouse by Sourav sen

ছবি
বাংলা রহস্য গল্প - লাইট হাউস bengali thriller story light house Bangla rohosyo golpo lighthouse ,bongo likhon শেখর এসে দাঁড়ালো সমুদ্রের ধারে। চারিধার চাঁদের আলোয়ে ভেসে যাচ্ছে। হাত কয়েক দূরের পরিত্যক্ত লাইট হাউসটা যেন তাকে টানছে। মন্ত্র মুগ্ধের মতো শেখর এগিয়ে গেল সেইদিকে। দিন দুয়েক হলো শেখর ঘুরতে এসেছে গোয়াতে। একা মানুষ সে। পিছুটান বলতে কিছুই নেই তার। তাই চাকরির ফাঁকে সুযোগ পেলেই ঘুরতে বেড়িয়ে পরে সে। একা ঘুরতেই ভালোবাসে শেখর। সাউথ গোয়ায় সমুদ্রের কাছেই একটা সুন্দর রিসর্টে উঠেছে সে। রিসর্টের জানলা দিয়ে সমুদ্রের ফেনিল জলরাশি সুন্দর ভাবে চোখে পরে। সেখানেই দাঁড়িয়ে ছিল শেখর। চারিধারে তাকাতে তাকাতে হঠাৎ তার চোখ গেল পুরানো লাইট হাউসটার দিকে। দেখে পরিত্যক্ত বলেই মনে হল তার। বিকালের দিকে সমুদ্রের ধারে গিয়ে বসে শেখর। চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বেশ কিছু মানুষ বসে আছে। সমুদ্রের ঝোড়ো হাওয়ায় মনটা ভালো হয়ে যায় তার। এদিক সেদিক তাকাতে গিয়ে শেখরের চোখ আবার গিয়ে আটকে যায় লাইট হাউসটার দিকে। লাইট হাউসটা যেখানে সেখানে বিক্ষিপ্ত ভাবে অনেক পাথর ছড়িয়ে আছে। মানুষ জন ওই দিকটাতে একদমই যায় না। হঠাৎ করেই তার মনে ...

বাংলা গল্প - সুখ Bengali story sukh Bangla golpo sukh by preety chakraborty

ছবি
বাংলা গল্প - সুখ Bengali story sukh Bangla golpo sukh , bongolikhon ভাত ,ডাল ,আলু পটলের তরকারি ,মাছের ঝোল ,চাটনি চটপট বাটিতে সাজাচ্ছে অপর্ণা । দশ বাড়ির খাবার সুমন বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেয়। আজ একটু বেশি সকাল-সকাল শুরু করেছে ছেলের স্কুলে মিটিং আছে সেখানে যেতে হবে। হাতের জাদুতে বেশ কয়েক মাসের মধ্যেই সারা ফেলে দিয়েছে অপর্ণার হোম ডেলিভারির ব্যবসা । এখন ছোট বড় অনুষ্ঠানেও খাবার পৌছে দিচ্ছে , প্রয়োজনে লোক নিয়ে নেয়।  তুমি কিন্তু বিকেলে কোন কাজ রেখো না চৌধুরীর বাড়ি যাবো কথা বলতে , খাবারগুলো ব্যাগে ভরতে ভরতে সুমনকে বলল অপর্ণা ।  সুমন চুপ , এইসময় যদি বলে বিকেলে সৌরভ কে আসতে বলেছে আঁকার ব্যাপারে কথা বলতে তাহলে আর রক্ষে নেই তাও বললো  ,তুমি তো মা দশভূজা সব একাই সামলে নাও । থাক হয়েছে , মন ভুলানো কথা বলতে হবেনা, সব আমি সামলাবো না ? ছেলের স্কুল, রান্নার কাজ ;  আচ্ছা বাবা  যাব , আর তুমি জানো মন ভোলানো কথা নয় এগুলো, তুমি এইভাবে সব টা না সামলালে কী করতাম আমি সত্যি জানি না । আচ্ছা এবার যাও খাবার গুলো পৌছে দিয়ে এসো , দেরি হচ্ছে তো। সুমন জানে ইচ্ছে করেই ওকে চুপ করিয়ে দেয় অপ...

বাংলা কল্পবিজ্ঞান গল্প - ব্যোম যাত্রীর ডায়েরি Bengali science fiction story bomjatrir diary Bangla kolpobigyan golpo bomjatrir diary by saptarshi sanyal

ছবি
বাংলা কল্পবিজ্ঞান গল্প - ব্যোম যাত্রীর ডায়েরি Bengali science fiction story bomjatrir diary Bangla kolpobigyan golpo bomjatrir diary, বঙ্গ লিখন ,bongo likhon   24জুলাই 2070 বীপ- বীপ - বীপ যান্ত্রিক শব্দ আর দুটো নিথর দেহ ছাড়া কোনো শব্দ নেই ঘর টি তে। নীলাভ ultraviolet আলোয় মায়াবী পরিবেশ । ৩২০ বছর ধরে যাতে দুটি দেহে কোন ভাইরাল বা ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন না হয় তাই এই ব্যবস্থা। প্রাণহীন মহাকাশের মধ্যে আলোর থেকে কিছু কম গতিতে ছুটে চলেছে মহাকাশযানটি দুই নভশ্চর কে নিয়ে। ৩২০  বছর পর পৌঁছাবে কেপলার 15 নামে গ্রহটিতে। ল্যান্ডিং এর পরে ছোট্ট ইলেকট্রিক স্পার্ক এর মাধ্যমে প্রাণ ফিরে পাবে দুই নভশ্চর, বেরিয়ে আসবে তাদের ক্রায়োজেনিক স্টেট থেকে। ৩ বছর আগে বাংলার তরুণ বিজ্ঞানী তমোঘ্নর আবিষ্কার রাস্তা খুলে দিয়েছিল মানবজাতির সুস্থ হয়ে বাঁচার উপায়। তমোঘ্ন এমন এক যন্ত্র আবিষ্কার করে যাতে অবিকৃত রাখা যায় শরীর বছরের পর বছর ঘুমন্ত অবস্থায়।       বছরটা দুই হাজার কুড়ি সমগ্র পৃথিবী covid ১৯ নামে এক ভাইরাসের কবলে, ইঁদুর দৌড় শুরু হয় সারা পৃথিবীর বিজ্ঞানীদের মধ্যে এই রোগের  ভ্...

বাংলা রহস্য গল্প ইস্তক bengali thriller story novel istok Bangla rohosyo golpo istok by sourov sen

ছবি
বাংলা রহস্য গল্প ইস্তক bengali thriller story novel istok Bangla rohosyo golpo istok, bongo likhon পাহাড়ের ধার দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে একটা খোলা জায়গায় এসে দাঁড়ায় অর্নব। অর্নব মজুমদার। পেশায় ফটোগ্রাফার। হিমালয়ের এই অঞ্চলটায় সে প্রথম এসেছে। দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলগুলো একা ঘুরে বেড়ানোটা তার নেশায় পরিনত হয়েছে। সন্ধ্যা হয়ে আসছে। খোলা জায়গাটার একপাশে তাঁবু খাটায় অর্নব। রাতের খাবার তৈরী করে খেতে খেতে হঠাৎ তার একটা ‌অদ্ভুত অনুভূতি হয়। তার মনে হয় কেউ যেন তাকে দেখছে। এর আগে এতবার পাহাড়ে এসেছে কিন্তু কোনোদিনও এমন অভিজ্ঞতা তার হয়নি। খেতে খেতে একবার চারিধারে তাকিয়ে নেয় অর্নব। তাঁবুর সামনে জ্বলা আগুনের আলো যতদুর পরেছে তার মধ্যে দিয়ে কাউকে দেখতে পায় না সে। খাবার শেষ করে তাঁবুতে ঢুকতে গিয়ে হঠাৎ তাঁবুর পিছনে চোখ যায় তার। অবাক হয়ে দেখে মাইল খানেক দুরে মশালের মতো কি যেন একটা জ্বলছে। এই পান্ডব বর্জিত জায়গায় অমন মশাল জ্বালবে কে! ভাবতে ভাবতে তাঁবুতে ঢুকে শুয়ে পরে সে। পরদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠে মেজাজটা খারাপ হয়ে যায় অর্নবের। বৃষ্টি পড়ছে। তার ছবি তোলা আজ আর হলো না। আকাশের যা অবস্থা তাতে করে আজ আর এগুনো সম্ভব হব...

অঙ্কন - শিল্পী - সোমা মণ্ডল drawing of Durga by artist soma mandal

ছবি
শিল্পী সোমা মণ্ডলের আঁকা এক অনন্য পেনস্কেচ। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সোমা আঁকা কে নিজের খালি সময়ের সঙ্গী করেছেন তিনি ভবিষ্যতে wbcs অফিসার হওয়ার স্বপ্নে বধ্যপরিকর। সেই প্রস্তুতির অবসরেই খুঁজে নেন আঁকা তে নিজের আনন্দ। বঙ্গ লিখন অভিনন্দন জানায় সোমা মণ্ডল কে তার সৃষ্টির জন্য।

শিশু অঙ্কন শিল্পী অনুমিতা ব্যানার্জী drawing painting by child artist anumita banerjee

ছবি
শিশু শিল্পী অনুমিতা ব্যানার্জী মাত্র ১২ বছর বয়সে অভাবনীয় প্রতিভার অধিকারিণী , জলপাইগুড়ির সুনিতাবালা সদর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় এর সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী অনুমিতা বড় হয়ে ডাক্তার হতে চায়। আঁকা ছাড়াও আবৃত্তিতে তার বিশেষ আগ্রহ।

অঙ্কন শিল্পী ঋতুপর্ণা চ্যাটার্জী drawing sketches painting by artist rituporna chaterjee

ছবি
শিল্পী ঋতুপর্ণা চ্যাটার্জী এর আঁকা 'একটি গ্রাম্য দিন'। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় এর অন্তর্গত মৌসিন কলেজ এর স্নাতক, ও জৈব রসায়ন এ উচ্চ স্নাতক, শিল্পী, অঙ্কন কলা এর মাধ্যমে নিজের ব্যাপ্তি খুঁজে পান ,তার প্রতিভায় সমৃদ্ধ হই আমরাও, বঙ্গ লিখন থেকে তাকে জানাই অনেক শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ বাংলার কলা ও সাহিত্য কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টার জন্য। 

বাংলা গল্প পঁচিশ বসন্ত পরে bengali story pochish bosonto pore by agnivo Golder Bangla golpo

ছবি
বাংলা গল্প পঁচিশ বসন্ত পরে তাহলে বলো আমরাও দেখতে দেখতে 25 টা বসন্ত পাড় করে দিলাম ভাবতে পেরেছিলে এটা সম্ভব হবে।বলো দেখতে দেখতে মেয়েটাও কত বড় হয়ে গেল মনে আছে তোমার সাথে দেখা হওয়ার প্রথম দিনটা....... হ্যাঁ ভুলতে পারি নাকি..... মাম্মা আজ তোমাকে আমাকে সব বলতেই হবে..... কি বলবো নতুন করে সবই তো জানিস...... না তুমি আজ এই সুন্দর দিনে তুমি আজ তোমার সব কথা আমার আর বাবার সাথে বলবে। তোর বাবা সবটাই জানে.... তখন আমার বয়স 4 বছর আর আমার ভাইয়ের বয়েস দেড় বছর হবে ।।।হঠাৎ মা মারা গেল তখন আমার সব থেকে কাছের বলতে আমার ভাই আমাদের ঠিকানা তখন বা শেষ আশ্রয় আমাদের মামা বাড়ি।।।তা মামাবাড়ির অবস্থায় খুব একটা ভালো না কারণ দাদুর একার আয়ের উপর আমাদের সংসার তার মধ্যে আমি আমার ভাই মামা মাসি সব মিলিয়ে আমরা ছয় জনের সংসার ।।।সেখান থেকে বড় হওয়া আস্তে আস্তে আমাদের দুজন কে স্কুলে ভর্তি করে দিলো।।আস্তে আস্তে প্রাইমারি থেকে উঠে হাই স্কুলে ভর্তি হলাম আমরা দুজন পড়াশোনার খরচ বাড়তে লাগলো এর পর স্কুলের গন্ডি পেরিয়ে কলেজে প্রবেশ করার পালা। তখনই আস্তে আস্তে পরিবারের কিছু মানুষের আসল রূপ টা দেখতে পেলাম।।আমার পড়াশুনা নিয়ে আপত্তি কিন্তু আ...

বাংলা খোলা চিঠি ইতি শৌভিক। একটা আধখোলা চিঠি Bengali story open half letter by shouvik chaterjee

ছবি
বাংলা খোলা চিঠি ইতি শৌভিক। একটা আধখোলা চিঠি Bengali story open half  letter,bongo likhon প্রিয়, যিনি পড়ছেন তিনি, চিঠি লেখালিখির যুগের মানুষ আমরা নই,সে অর্থে।তবে এযুগের মানুষও যে দু এক খানা চিঠি   প্রেয়সী কে লিখেছেন বা দু একটি চিঠি অপরপক্ষ থেকেও পেয়েছেন যে নির্ঘাত,এতো বলাই বাহুল্য।তবে সে সব ঢেউ অতীত সমুদ্রের  এ হারিয়ে গিয়েছে বহুকাল পূর্বেই।সে সব চিঠি নেহাতই আবেগজাত,কিছু অপ্রয়োজনীয়ও হয়তো!তবে অতি বাল্যকালে আমারাও পরিবারের মানুষজন কে চিঠি আদানপ্রদান করতে দেখেছি বৈকি।বিজয়া দশমীর পর,মা কাকিমা দের উপুর হয়ে চিঠি লিখে প্রণাম, শুভেচ্ছে দিতে দেখেছি,দূরান্তে থাকা বয়োজ্যেষ্ঠ দের।সেও এক অন্য রোমান্টিসিজম। শুধু কি শুভেচ্ছা আদান প্রদান!,কত প্রয়োজনীয় চিঠিও আসতো যেত।যারা সংগ্রহী মানসিকতার মানুষ,তারা কালতীর্ণ সেই পত্রাদি সংগ্রহে রাখেন যত্নে।মাতামহকে মায়ের উদ্দেশ্যে চিঠিতে বলতে দেখেছি,'তোমার কনিষ্ঠা ভগিনীর বিবাহ স্থির করিলাম।বড় সজ্জন পরিবার',ইত্যাদি কিম্বা 'তোমার ভাই শিক্ষকতার চাকুরি পাইয়াছে' ইত্যাদি তবে তখন ব্যক্তি আমিটির বিশেষ বর্ণজ্ঞান হয়নি।সদ্যউদিত শিশু পুত্রাবস্থাই ব...

বাংলা মজার গল্প রম্য রচনা জামাই-ষষ্টি bengali funny story jamai shosti by souvik chaterjee

ছবি
বাংলা মজার গল্প (রম্য রচনা ) জামাই-ষষ্টি bengali funny story jamai shosti, bongo likhon 'চলো চলো,কী যে করোনা...'নিজের বাইকে স্টার্ট দিয়ে,এক্সিলেটার দাবায়ি বউ কে তাড়া দিয়ে উঠলো উত্তম।উত্তমের এবার চতুর্দশতম জামাইষষ্ঠী। কিন্তু সেই প্রথম বছর থেকে আজ অবধি তার জামাইষষ্ঠী উৎসবের উৎসাহে বিরাম নেই।কাল একটু বৃষ্টিও হয়েছে,রাস্তা ঘাট  বেশ ধোয়া ধোয়া,গাছপালাও যেন চান ক'রে, সেজে গুজে পুরো তৈরি। উত্তমও তার অতি পছন্দের সবুজ পাঞ্জাবি টা পড়ে নিয়েছে।তরমুজ সাইজের মধ্যপ্রদেশ উঁচু হ'য়ে বেরিয়ে আসবো আসবো করছে।  'কই গো এসো...'আবার তাড়া দেয় বউ কে।উত্তমের আর তড় সইছে না।জামাইষষ্ঠী তার বড় পছন্দের উৎসব।শুধু একবার শশুরালয়ে ল্যান্ড করতে যতক্ষন,তারপরেই উত্তম বটব্যাল থেকে মুহুর্তে দামোদর বটব্যাল হয়ে উঠতে সময় নেয় না ও।মহাভোজেরও ওপরে যদি কিছু থাকে,উত্তম সেই ভোজের একাকী অংশীদার। উত্তমকে কোনো এক বিয়ে বাড়িতে এক দেখাতেই পছন্দ করেছিলেন,তার শশুর মশাই। সে বার উত্তম সাঁইত্রিশ পিস খাসির মাংস খাওয়ার পর যখন একান্নতম রসগোল্লা মুখে পুড়ছে,তখনই পাঁচকরি শাসমল ওর পিঠে চাপড় মেরে সর্বসমক্ষে ওকে হবু জামাই বলে ডিক্লেয়া...

বাংলা গল্প কলহ-কপট bengali story koloh kopot by souvik chaterjee

ছবি
বাংলা গল্প কলহ-কপট bengali story koloh kopot,bongolikhon  'ধ্যাততেরিকা'!ঘরে পা দিলি,আর কারেন্ট অফ...'দাদা ধমকে উঠলো।আমার আসা আর কারেন্ট যাওয়ায়,বৈদ্যুতিক কণার সাথে কোনো হাইপোথেটিক্যাল সম্পর্ক আছে কি না ভাবছি!তখনই পাশের ঘর থেকে বৌদি বললেন,'সারাদিন এক অসহ্য নরক যন্ত্রনা,এর থেকে মুক্তি পাওয়াই মুশকিল!...এ জন্মে ছাড় নেই'। অনতিবিলম্বেই বুঝতে পারলাম হালকা কাশ্মীরি কেস,শান্তি চুক্তি লঙ্ঘন হতেই বেশি দেখা যায়।ভাবলাম বাড়ি ফেরার পথে,'দাদার বাড়ি ঘুরে যাই'কিন্তু এমন গোলাগুলির মধ্যে পরে যাবো কে জানতো! এখন বিস্তর লাফালাফি চলবে।তারপর সিজ ফায়ার হবে।অতঃপর নেমে আসবে কার্ফু। অর্থাৎ ভাব বাচ্যে কথা বিনিময় যখন যে সামনে থাকবে সে হবে মাধ্যম,আর কেউ না থাকলে শূন্যে গুলি ছোঁড়ার মতো করে শূন্যে কথা উড়বে! 'তিন দিন ধরে পোস্ত নেই,যেন এনে রাখা হয়!'কিম্বা 'দুদিন ধরে কেবলের টাকাটা ফ্রিজের মাথায় পরে রয়েচে...'ইত্যাদি।কপালের ফেরে এই টয়েন্টি টয়েন্টি ম্যাচের পিচ আজকে আমি,আমার ওপর দিয়ে অনেক ভার্চুয়াল দৌড়াদৌড়ি হবে,এ অনিবার্য।  ''দেখলি তোর বৌদির কেমন ঠেস মারা কথা! আমি শালা 'ন...

বাংলা গল্প অধরা bengali story about a surrogacy incident titled adhara by Manju sanyal

ছবি
  বাংলা গল্প অধরা, bengali story about a surrogacy incident titled adhara , bongo likhon মা,বাজারের থলে আর টাকা দাও, কী , কী, আনতে হবে বলে দাও, লিখে নি ,তোমার মেধাসম্পন্ন  ছেলের এসব ভারী কথা মনে থাকে না।  ফাজলামো হচ্ছে ? কপট ক্রোধে দীপা ভর্ৎসনা করে ছেলেকে । মনে মনে ভাবে ছেলে বড়ো হয়ে যাচ্ছে ,এইতো সেদিন বলতো তোলে নাও , "ক" শব্দ টা উচ্চারণ করতে পারতো না ,কদিন ই বা আগে , মনে হয় দিনটা গতকাল বা গত পরশু ছিলো । টাকা ,থলে আর কী , কী আনতে হবে ভালো করে বুঝিয়ে দেয় দীপা। রাজ্যের কাজ পরে আছে, এখনও কাজের দিদি আসেনি, রাস্তার দিকে তাকিয়ে থাকে দীপা। মাছের বাজারে ঢুকেই সুধন্য বাজারের চড়া দাম ,আর শেয়ার বাজারের আলোচনা শোনে, মনে মনে বলে আমি বুঝতেই পারিনা কোনটা দামী, জিনিসপত্রের চড়া দাম না শেয়ারবাজারের ওঠানামা ,মরুক গে ওই সব দিয়ে কি হবে ?ধীরে, ধীরে ঘুরে, ঘুরে আনাজ পাতি কেনে ,মাছও মা যা টাকা দিয়েছিলো সবই তো শেষ , নিজের কাছে যা টাকা ছিল সেটাও শেষ । বন্ধুরা বাজার করতে এলে ওর থেকেই পয়সা বাঁচিয়ে নিজের পকেটে ঢোকায় , ওর উল্টো নিজের টুকুও শেষ হয় । নাহ্ আমি একদমই কাজের নই ভাবে সুধন্য। স্নান খা...

বাংলা গল্প ইন্দ্র-সমর bengali story Indra Samar by shouvik chaterjee

ছবি
বাংলা গল্প ইন্দ্র-সমর bengali story Indra samar,bongo likhon অফিস থেকে বাইরে বেরিয়েই ইন্দ্রর ছোটো বেলায় পড়া ভুগোল বই এর কথা মনে এলো সূর্য নাকি লম্ব ভাবে কিরণ দেয় কখন যেন একটা! তবে লম্ব কি না জানে না ইন্দ্র।শুধু বুঝতে পারছে,জুন মাসের পলিউশন মাখা শহুরে সূর্য গরম শলাকা হয়ে নেমে এসেছে ওর মাথায়,গলায়,হৃদপিন্ডে,অন্ত্রে, ধীরে ধীরে জ্বালিয়ে দিচ্ছে ওকে।আসলে সূর্য নয়, বসের কথা গুলো বিষাক্ত পোকার মতো কাটছে ওকে ভিতরে ভিতরে!  'ওয়ার্থলেস শব্দটা মনে হয়,তোমার জন্যই তৈরি।আমার এই এত বছরের এডিটর লাইফে তোমার মতো,এক পিস ও দেখিনি।আজ পর্যন্ত,একটা শুধু,একটা স্টোরি,ভালো স্টোরি চেয়েছিলাম,দিতে পেরেছো? পারোনি!তোমার চাকরি রাখার দায় টা আমার?'শেষ কথাটায় চিৎকার করে উঠেছিলো এডিটর মনোহর পান্ডে।না ইন্দ্রর জিজ্ঞেস করা হয়নি,'ভালো স্টোরির সংজ্ঞাটা ঠিক কী?'গতবছর বন্যায়, জীবন বাজি রেখে স্টোরি করেছে,সাথে ছবি।বিশেষ একটা ছাপা হয়নি।মন্ত্রীর ছেলের বিয়ে,দুর্গা পুজোর খুঁটি পুজোর স্টোরি ক'রে,প্রমিলা কী ভাবে যেন বিখ্যাত অফিসে;তা জানতে দেওয়ালে কান না পাতলেও চলে,অফিসে পা দিলেই শোনা যায়,দেখাও যায় বৈকি!বঙ্গ কেন্দিক একট...

বাংলা গল্প অনলাইন ক্লাস Bengali story online class by Tina bhatyacharya, bongo likhon

ছবি
বাংলা গল্প অনলাইন ক্লাস  Bengali story online class,bongo likhon  " হ্যালো…. হ্যা… হ্যাঁ শুনতে পাচ্ছিস? হ্যা.. লো.. "  সকাল থেকে অনেকবার চেষ্টা করেও বিভাস পেলো না অঞ্জনকে। ওদের বাড়ির এদিকটায় ফোনে খুব নেটওয়ার্ক সমস্যা হয়। আজ তিনদিন ধরে এই সমস্যার জন্য অনলাইন ক্লাস  করতে পারছে না ও। কলকাতার এক নামী কলেজের ছাত্র বিভাস। ভাল রেজাল্টের জন্য চান্স পেতে অসুবিধা হয়নি। রোজ এই রায়দিঘি থেকে যাতায়াত করা সম্ভব নয় বলে কলেজের কাছেই একটা মেস ভাড়া নেয় বিভাস। কলেজ করে ফেরার পথে চারটে টিউশন করে মেসে ফেরে ও। ওই টিউশনের টাকাতেই কলেজের ফি আর মেসভাড়া দিয়ে কোনো মতে চলে যায়। এই মহামারীর জন্য কলেজ বন্ধ থাকায় বাড়ি এসেছে। এই গেল পুজোতে একটা সেকেন্ড হ্যাণ্ড স্মার্টফোন কিনেছে নিজের জমানো টিফিন খরচের টাকায়। যেদিন ও কলেজ যেতে পারে না সেইদিনের পড়াটা ওর বন্ধুরা ওর ফোনে পাঠিয়ে দেয়। শুধু সেই দিনগুলোতেই নেট ব্যালেন্স ভরে ও। মাঝে মাঝে ওর মনে হয়, একমাসের নেট ব্যালেন্স ভরে সূচনাকে একসময়  হোয়াটসঅ্যাপে নিজের মনের কথাটা বলে ফেলে। তারপর নিজের মনকেই দমিয়ে বলে ওঠে, " বাবা দিনরাত এক করে হকারি করছে, প্রয়োজনটা ...