
#ক্ষুদিরাম
তিন খুদে শস্যের বিনিময় বাবা তাকে জন্মের কিছুক্ষন পরই বিক্রি করে দিয়েছিলেন.. সন ১৮৮৯,৩রা ডিসেম্বর.. তাই তার নামও রাখা হয় ক্ষুদিরাম,..
অষ্টম শ্রেণীতে পাঠরত ছেলেটি ১৯০৫ এর বঙ্গভঙ্গ ও স্বদেশী আন্দোলনে প্রভাবিত হয়ে পড়াশুনার ইতি টেনে সত্যেন বসুর গুপ্ত সমিতিতে যোগ দেন..মেদিনীপুর কৃষি ও শিল্পমেলায় "সোনার বাংলা" নামক বিপ্লবী পএিকা বিলি করতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পরেও সেবারের মতো পালাতে সক্ষম হন.. বিপ্লবী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত থাকায় তার জামাইবাবুর চাকুরি সংকটে পরে ও ক্ষুদিরামকে তার আশ্রয়স্হল পরিবর্তন করতে হয়..
১৯০৭-এ কলকাতাস্হ মানিকতলায় বারীন কুমার ঘোষের বাগানবাড়ীতে সশস্র বিপ্লবীদল গঠিত হয়, যা পরবর্তীতে "যুগান্তর দল" নামে পরিচিত... এইদলের পক্ষ থেকে কিংসফোর্ডকে হত্যার ভার পরে প্রফুল্ল চাকী ও ক্ষুদিরামের ওপর.. সেইমতো ১৯০৮ সালের ৩০শে এপ্রিল, রাত ৮ টায় কিংসফোর্ডের গাড়ি ভেবে বোমা নিক্ষেপ করলে ভুল বসত নিরাপরাধ লেডি কেনিডি ও তার কন্যার মৃত্যু হয়.. এই ঘটনার পরিপ্রক্ষিতে প্রফুল্ল চাকী কে ধরতে গেলে তিনি নিজের বন্দুকের গুলিতে আত্মঘাতী হন.. ক্ষদিরাম পুলিশের জালে ধরা পরেন..
বোমা নিক্ষেপের সমস্ত দায়িত্ব ক্ষুদিরাম মাথা পেতে নিজ ঘাড়ে নেন.. মুজফফরপুর জেলে ১৯০৮ সালে তাকে মৃত্যুদন্ডের সাজা শোনান হলে তিনি হাসিমুখে তা গ্রহন করেন... ১৯০৮ সালের ১১ই আগষ্ট মাএ ১৮বছর৭মাস১১দিন বয়সে হাসিমুখে ফাঁসির দড়িতে ঝুলে পরেন...
ক্ষুদিরাম স্বাধীনতা সংগ্রামী হয়ে আমৃত্যু বেঁচে থাকবেন ইতিহাসের পাতায় , আপামর ভারতবাসীর মনে... বাঁকুড়ার লোককবি পীতাম্বর দাস তাকে উৎসর্গ করেন একটি গান যা বাঙালীর মুখে মুখে আজও ঘোরে -"একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি"...
© সহেলী..
আজ কনিষ্ঠতম স্বাধীনতা সংগ্রামীর ১১২তম আত্মবলিদানের দিনে তাকে জানাই আমার অন্তরের প্রণাম..🙏
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Your comment is valuable to us thank you and please subscribe through email